গাজায় ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে ১১২ জনের মরদেহ উদ্ধার

গাজার সিভিল ডিফেন্স এজেন্সি শনিবার জানিয়েছে, তাদের উদ্ধারকর্মীরা গাজা শহরের সাবরা এলাকায় ইসরায়েলি বিমান হামলায় ধ্বংস হওয়া বাড়িঘরের নিচ থেকে ১১২ জনের মরদেহ ও দেহাবশেষ উদ্ধার করেছেন। সংস্থাটি জানিয়েছে, প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে চালানো এক বিশেষ অনুসন্ধান অভিযানের মাধ্যমে এই মরদেহগুলো উদ্ধার করা হয়েছে।

সিভিল ডিফেন্সের ভাষ্যমতে, আল-হাসায়না ও আবু শারিয়া পরিবারের মালিকানাধীন এই আবাসিক ব্লকটি ২০২৩ সালের ২৩ নভেম্বর ইসরায়েলি হামলায় ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়। গাজায় ইসরায়েলের চলমান যুদ্ধের প্রথম যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার ঠিক একদিন আগে এই হামলা চালানো হয়েছিল। ১৩৬ ঘণ্টার দীর্ঘ ও কষ্টসাধ্য প্রচেষ্টার পর এই উদ্ধারকাজ সম্পন্ন হয়। উদ্ধারকৃতদের মধ্যে ৪০ জন শিশু, ৩৮ জন নারী এবং সাতজন প্রতিবন্ধী ব্যক্তি রয়েছেন।

অভিযানটির তত্ত্বাবধানে থাকা মোহাম্মদ আবু দান জানিয়েছেন, উদ্ধারকর্মীদের কাছে পর্যাপ্ত ভারী যন্ত্রপাতি না থাকায় তারা খালি হাতে কংক্রিটের নিচ থেকে মরদেহ বের করার চেষ্টা করেছেন। তিনি আরও বলেন, এখনো প্রায় ১৫৭ জনের মরদেহ ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে আছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। আবু দানের মতে, ভারী যন্ত্রপাতি ও সরঞ্জামের অভাবই উদ্ধারকাজের প্রধান অন্তরায়। তিনি উল্লেখ করেন যে, অনেক দেহ বিস্ফোরণের তীব্রতায় বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। তিনি এই উদ্ধারকাজ চালিয়ে যাওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম সরবরাহে ইসরায়েলের ওপর চাপ প্রয়োগ করতে আন্তর্জাতিক মানবিক সংস্থাগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

গত ১৯ জুলাই সিভিল ডিফেন্স গাজায় ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে থাকা মরদেহ উদ্ধারের দ্বিতীয় পর্যায়ের প্রকল্প শুরু করে। সংস্থাটির মুখপাত্র মাহমুদ বাসাল জানান, গাজা শহরসহ উপত্যকার উত্তর ও মধ্যাঞ্চলে ১৪৭টি ধ্বংসপ্রাপ্ত বাড়িঘরে তল্লাশি চালানো হচ্ছে, যেখানে প্রায় ১,০৭২ জনের মরদেহ আটকে আছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

গাজার সরকারি মিডিয়া অফিসের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া যুদ্ধের পর প্রায় ৯,৫০০ ফিলিস্তিনি নিখোঁজ রয়েছেন। যুদ্ধবিরতি চুক্তির অংশ হিসেবে ইসরায়েলের ভারী যন্ত্রপাতি প্রবেশের অনুমতি দেওয়ার কথা থাকলেও, ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ ও বিভিন্ন দল ইসরায়েল সেই প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করেছে বলে অভিযোগ করেছে। দুই বছর ধরে চলা এই যুদ্ধে ৭৩,০০০-এর বেশি ফিলিস্তিনি নিহত এবং ১,৭৪,০০০-এর বেশি মানুষ আহত হয়েছেন। জাতিসংঘ গাজা পুনর্গঠনে প্রায় ৭০ বিলিয়ন ডলার ব্যয় হতে পারে বলে ধারণা করছে।

শিরোনাম :
সমৃদ্ধ ও কল্যাণমুখী রাষ্ট্র গড়তে চায় বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী অন্যের ব্যক্তিগত গোপনীয়তা রক্ষায় ইসলামের নির্দেশনা কী? বিশ্বের বৃহত্তম বাণিজ্যিক জোট আরসিইপিতে যুক্ত হওয়ার পথে বাংলাদেশ! জলবায়ু পরিবর্তনে ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর জন্য কার্যকর বৈশ্বিক সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী দিল্লিতে আবার আন্দোলনে নামছে ককরোচ জনতা পার্টি! বাংলাদেশকে নিয়ে ট্রাম্পের উচ্ছ্বসিত পোস্ট! তারেক রহমানের সঙ্গে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক অস্ট্রেলিয়ার দক্ষ কর্মী ভিসায় নতুন নিয়ম! মানুষের নির্দেশ ছাড়াই অস্ট্রেলিয়ার সরকারি ওয়েবসাইট হ্যাক করল ‘এআই’ আইনের শাসন ও গণতন্ত্রের অভিযাত্রা অব্যাহত রাখার তাগিদ রাষ্ট্রপতির সমৃদ্ধ ও কল্যাণমুখী রাষ্ট্র গড়তে চায় বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী অন্যের ব্যক্তিগত গোপনীয়তা রক্ষায় ইসলামের নির্দেশনা কী? বিশ্বের বৃহত্তম বাণিজ্যিক জোট আরসিইপিতে যুক্ত হওয়ার পথে বাংলাদেশ! জলবায়ু পরিবর্তনে ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর জন্য কার্যকর বৈশ্বিক সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী দিল্লিতে আবার আন্দোলনে নামছে ককরোচ জনতা পার্টি! বাংলাদেশকে নিয়ে ট্রাম্পের উচ্ছ্বসিত পোস্ট! তারেক রহমানের সঙ্গে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক অস্ট্রেলিয়ার দক্ষ কর্মী ভিসায় নতুন নিয়ম! মানুষের নির্দেশ ছাড়াই অস্ট্রেলিয়ার সরকারি ওয়েবসাইট হ্যাক করল ‘এআই’ আইনের শাসন ও গণতন্ত্রের অভিযাত্রা অব্যাহত রাখার তাগিদ রাষ্ট্রপতির
DGEN NEWS
Privacy Overview

This website uses cookies so that we can provide you with the best user experience possible. Cookie information is stored in your browser and performs functions such as recognising you when you return to our website and helping our team to understand which sections of the website you find most interesting and useful.