দেশের বাজারে আরও এক দফা বাড়ল স্বর্ণ ও রৌপ্যালংকারের দাম। স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পাকা সোনা) মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ায় এই নতুন দাম নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। নতুন দর অনুযায়ী ২২ ক্যারেটের প্রতি গ্রাম স্বর্ণালংকারের বিক্রয়মূল্য ভ্যাটসহ নির্ধারণ করা হয়েছে ২০ হাজার ১৬০ টাকা।
আজ মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সকাল ৯টায় বাজুসের ‘স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং’-এর জরুরি সভায় স্বর্ণের এই নতুন দাম বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত হয়। আজ সকাল ১০টা থেকেই নতুন নির্ধারিত মূল্য কার্যকর করা হয়েছে।
ক্যারেট অনুযায়ী স্বর্ণের নতুন দর (ভ্যাটসহ প্রতি গ্রাম)
বাজুসের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, তেজাবি স্বর্ণের সার্বিক বাজার পরিস্থিতি বিবেচনা করে সর্বসম্মতিক্রমে নতুন মূল্যের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে:
- ২২ ক্যারেট: প্রতি গ্রাম ২০ হাজার ১৬০ টাকা।
- ২১ ক্যারেট: প্রতি গ্রাম ১৯ হাজার ২৫৫ টাকা।
- ১৮ ক্যারেট: প্রতি গ্রাম ১৬ হাজার ৫৩৫ টাকা।
- সনাতন পদ্ধতি: প্রতি গ্রাম ১৩ হাজার ৫০৫ টাকা।
বেড়েছে রৌপ্যালংকারের দামও
স্বর্ণের পাশাপাশি বাজুস রূপার অলংকারের দামও পুনর্নির্ধারণ করেছে। ক্যারেটভেদে প্রতি গ্রাম রূপার নতুন ভ্যাটসহ মূল্য হলো:
- ২২ ক্যারেট: ৪৩৫ টাকা।
- ২১ ক্যারেট: ৪১৫ টাকা।
- ১৮ ক্যারেট: ৩৬০ টাকা।
- সনাতন পদ্ধতি: ২৭০ টাকা।
আলাদা মজুরি ও ভ্যাটসংক্রান্ত নির্দেশনা
বাজুসের নীতিমালায় বলা হয়েছে, অলংকারের নকশা ও ডিজাইনের জটিলতা অনুযায়ী কারিগর বা প্রতিষ্ঠানের আলাদা মজুরি প্রযোজ্য হবে। তবে ঘোষিত নির্ধারিত বিক্রয়মূল্যের মধ্যেই প্রয়োজনীয় ভ্যাট যুক্ত থাকায় গ্রাহকের কাছ থেকে আলাদা করে ভ্যাট আদায় করা যাবে না।
এছাড়া ভ্যাট, মজুরি ও পাথরের দর বাদ দিয়ে অলংকার বিনিময় (এক্সচেঞ্জ) বা ক্রয়ের (পারচেজ) ক্ষেত্রে বাজুসের আগের নিয়মই বহাল থাকবে। পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে এই মূল্য তালিকায় কেনাবেচা চলবে।
বাজুস স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিংয়ের চেয়ারম্যান ডা. দেওয়ান আমিনুল ইসলাম শাহীন স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই সিদ্ধান্তের তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

