সব ধর্ম ও মতের মানুষ যাতে নিজের জায়গা থেকে স্বাধীনভাবে কথা বলতে পারে, সে ব্যাপারে সর্বোচ্চ চেষ্টা থাকবে বলে জানিয়েছেন নতুন নিযুক্ত ধর্ম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ শামীম কায়সার। আজ রবিবার (২৩ আগস্ট) দুপুরে সচিবালয়ে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, “বাংলাদেশ একটি বিরল দেশ, যেখানে অধিকাংশ মানুষই ধার্মিক। এদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও ধর্মপ্রাণ মানুষের দেশ। প্রতিটি ধর্মের মানুষ যদি নিজের ধর্মগ্রন্থ অনুসরণ ও ধারণ করতে পারে, তবে দেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি আরও বৃদ্ধি পাবে।”
বিএনপির আদর্শ ও মূল্যবোধ তুলে ধরে তিনি বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ধর্ম মন্ত্রণালয় প্রতিষ্ঠার প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করেছিলেন এবং বেগম খালেদা জিয়া ধর্মীয় মূল্যবোধকে সম্মান করতেন। এই মূল্যবোধ ও বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদকে প্রাধান্য দেওয়ার কারণেই বিএনপি সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জন করেছে।
তাঁকে নিয়োগ দেওয়া নিয়ে কিছু সংগঠনের আপত্তির বিষয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে শামীম কায়সার জানান, কোনো নিয়োগই শতভাগ মানুষের পছন্দ নাও হতে পারে। খণ্ডিত তথ্যের কারণে কিছুটা ভুল বোঝাবুঝি তৈরি হয়েছিল।
গতকাল জামিয়া মাদানিয়া বারিধারায় হেফাজতে ইসলামী ও জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের শীর্ষ আলেমদের সঙ্গে বৈঠকের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, আলেমদের সকল প্রশ্নের সন্তোষজনক উত্তর দেওয়া সম্ভব হয়েছে এবং তাঁরা স্বাগত জানিয়েছেন। শুধু ইসলাম নয়, সকল ধর্মের গুরু ও নেতৃবৃন্দের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে বিদ্যমান বিভ্রান্তি নিরসন করা হবে।
মতবিনিময়কালে ধর্ম সচিব মুন্সী আলাউদ্দিন আল আজাদ, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক মুহাম্মদ মুহিবুল্লাহিল বাকী ও হজ অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব ড. আয়াতুল ইসলামসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

