দীর্ঘ দুই দশক পর রাষ্ট্রক্ষমতায় ফেরা বিএনপির নতুন মন্ত্রিসভায় ২৫ জন পূর্ণমন্ত্রীর একজন হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন সিলেটের সাবেক মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন এই সরকারে তাকে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের পাশাপাশি শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
আরিফুল হক চৌধুরীর রাজনৈতিক ক্যারিয়ারের বড় একটি অংশ জুড়ে রয়েছে সিলেট। ২০১৩ সালে তিনি প্রথমবারের মতো বিএনপি থেকে মেয়র নির্বাচিত হন। ২০১৮ সালে অনুষ্ঠিত পাঁচ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগ চারটি আসনে জয়লাভ করলেও একমাত্র সিলেটে বিএনপি প্রার্থী হিসেবে আরিফুল হক বিজয়ী হন, যা দলের নেতাকর্মীদের কাছে তার গ্রহণযোগ্যতাকে আরও সুসংহত করে।
তার রাজনৈতিক উত্থানের পেছনে বড় ভূমিকা ছিল চারদলীয় জোট সরকারের সময়ের অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী এম সাইফুর রহমানের। তৎকালীন সিলেট-১ আসনের সংসদ সদস্য সাইফুর রহমানের আস্থাভাজন হিসেবে তিনি সিলেটের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড তদারকি করতেন। সেই সময় তাকে অনেকে ‘ছায়া অর্থমন্ত্রী’ হিসেবে অভিহিত করতেন।
বর্তমানে বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন আরিফুল হক। এর আগে তিনি কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য, সিলেট জেলা বিএনপির সদস্য এবং সিলেট মহানগর বিএনপির সভাপতি ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদকের মতো গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেছেন।
এদিকে, বর্তমান সরকার দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলার লক্ষ্যে ভাষা প্রশিক্ষণ কেন্দ্র খোলার নির্দেশনা দিয়েছে। এছাড়া আগামী নির্বাচনে প্রবাসীদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করার বিষয়েও সরকার কাজ করছে বলে জানা গেছে।
অন্যদিকে, মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর ক্ষেত্রে রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোর জন্য নতুন নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়েছে। তবে মালয়েশিয়া বিমানবন্দরে ভুয়া ভিসায় আটকের তালিকায় বাংলাদেশিদের সংখ্যা শীর্ষে রয়েছে। সম্প্রতি দেশটিতে নথি জালিয়াতির অভিযোগে পাঁচ বাংলাদেশিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং কুয়ালালামপুরে বিশেষ অভিযানে বাংলাদেশিসহ ৭৭০ জন অভিবাসীকে আটক করা হয়েছে।

