আগামী দিনে হজযাত্রার বিমান ভাড়া আরও কীভাবে কমানো যায়, সে বিষয়ে সরকার চিন্তাভাবনা করছে বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত।
আজ রোববার জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তরে সংসদ সদস্য হেলেন জেরিন খানের এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে বিমানমন্ত্রী এ কথা জানান। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে সংসদ অধিবেশন পরিচালিত হয়।
সংসদে বিমানমন্ত্রী বলেন, ‘পূর্বে হজের বিমান ভাড়া প্রায় দুই লাখ টাকা ছিল। অন্তর্বর্তীকালীন সরকার তা কমিয়ে প্রথম দফায় এক লাখ ৬৫ হাজার টাকা নির্ধারণ করে। আমরা দায়িত্ব নেওয়ার পর হিসাব-নিকাশ করে গত হজে সেটি এক লাখ ৫৪ হাজার টাকায় নামিয়ে আনতে পেরেছিলাম।’
ভাড়া আরও কমানোর তথ্য উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ‘এবার আমরা ডায়নামিক প্রাইসিং অনুসরণের মাধ্যমে ক্যালকুলেশন করে হজের বিমান ভাড়া এক লাখ ৩০ হাজার টাকায় নির্ধারণ করতে সক্ষম হয়েছি। বিমান বহর সম্প্রসারণ ও উড়োজাহাজ কেনার প্রক্রিয়া চলছে। আমাদের স্থগিত ও নতুন রুটগুলো পুরোদমে চালু হলে বিমানের আয় বাড়বে। সে ক্ষেত্রে আগামী দিনগুলোতে হজযাত্রীদের জন্য ভাড়া আরও কমানোর পরিকল্পনা আমাদের রয়েছে।’
অন্যান্য আন্তর্জাতিক এয়ারলাইন্সের সাথে সামঞ্জস্য রেখেই বিমানের সার্বিক টিকিটের মূল্য নির্ধারণ করা হবে বলে জাতীয় সংসদকে নিশ্চিত করেন মন্ত্রী।

