ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত বিভিন্ন রোগের বিস্তার রোধে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান। তিনি জানান, মশার লার্ভার উৎস ধ্বংসের পাশাপাশি ব্যবহৃত ওষুধের কার্যকারিতা বাড়াতে গবেষণা ও প্রয়োজনীয় কারিগরি সক্ষমতা জোরদার করা হচ্ছে।
রোববার (৩০ আগস্ট) সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার বিভাগের সভাকক্ষে ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে গঠিত জাতীয় টাস্কফোর্স কমিটির এক জরুরি সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।
টাস্কফোর্স সভার মূল বিষয়াবলি:
-
আন্তর্জাতিক সহায়তা ও গবেষণা: জাপানসহ বিভিন্ন উন্নত দেশের সহায়তায় এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশেষজ্ঞদের সম্পৃক্ত করে মশা নিধন ওষুধের কার্যকারিতা নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে।
-
পরিসংখ্যান ও সার্বিক চিত্র: প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম জানান, গত বছরের তুলনায় চলতি বছর ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব প্রায় অর্ধেকে নেমে এসেছে। জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত প্রায় ৯০ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং প্রায় ২ হাজার ৫০০ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।
-
ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় অগ্রাধিকার: ঢাকার দুই সিটি কর্পোরেশন ও গাজীপুরের মতো ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় সীমাবদ্ধতার মধ্যেও মশার প্রজননস্থল ধ্বংস ও লার্ভিসাইড স্প্রে জোরদার করা হয়েছে।
-
জনসচেতনতার আহ্বান: বাড়ির ছাদ, বারান্দা কিংবা ডাবের খোসা ও টায়ারে জমে থাকা পানি নিয়মিত পরিষ্কার রাখার জন্য সর্বসাধারণের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানানো হয়।
উক্ত সভায় স্থানীয় সরকার ও স্বাস্থ্য বিভাগের সচিব, সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক ও প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

