সৌদি আরবের তায়েফ শহরে এক সৌদি তরুণের অতর্কিত বন্দুক হামলায় কামরুল জামান (৩৩) নামে এক প্রবাসী বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন।
রোববার (৩০ আগস্ট) স্থানীয় সময় ভোর ৪টার দিকে তায়েফের হাওয়ায়েয়া এলাকায় এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। তাণ্ডব চালানোর পর হামলাকারী নিজেও মাথায় গুলি চালিয়ে আত্মহত্যা করেছেন।
নিহত কামরুল জামান নোয়াখালী জেলার বেগমগঞ্জ উপজেলার কুতুবপুর গ্রামের খোরশেদ আলমের ছেলে। আড়াই বছর আগে জীবিকার তাগিদে তিনি সৌদি আরবে পাড়ি জমান। দেশে তাঁর স্ত্রী ও দুই ছেলে সন্তান রয়েছে। নিহতের ভগ্নিপতি একরামুল হক হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
ঘটনার বিবরণ:
পাশের একটি ফার্মেসিতে কর্মরত অপর এক বাংলাদেশি প্রবাসীর বরাতে জানা যায়, কামরুল জামান তাঁর কর্মস্থল একটি সুপারমার্কেটের ডিউটি শেষ করে বাসায় ফিরছিলেন। সে সময় তিনি রাস্তায় দাঁড়িয়ে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে ফোনে কথা বলছিলেন। ঠিক তখন আচমকা ওই সৌদি তরুণ তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি ছোঁড়ে।
প্রাণ বাঁচাতে কামরুল দৌড়ে নিজ কর্মস্থল সুপারমার্কেটের ভেতরে ঢুকে পড়েন। তবে হামলাকারী পেছন থেকে তাড়া করে সুপারমার্কেটের ভেতর প্রবেশ করে এবং কামরুলকে লক্ষ্য করে পরপর তিন রাউন্ড গুলি চালিয়ে মৃত্যু নিশ্চিত করে। এর পরপরই ঘাতক তরুণ নিজে মাথায় গুলি চালিয়ে আত্মহত্যা করে।
কী কারণে এই হত্যাকাণ্ড চালানো হয়েছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ঘটনার পর তাৎক্ষণিক আতঙ্কে সুপারমার্কেটের অন্য কর্মীরা পালিয়ে যান। স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী খবর পেয়ে লাশ উদ্ধার করেছে এবং বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে।

