নভেম্বরেই ঘড়ির কাঁটা পেছাবে আমেরিকায়, ট্রাম্পের সমর্থন সত্ত্বেও অনিশ্চয়তা

বছরে দুইবার ঘড়ির কাঁটা পরিবর্তনের পুরনো প্রথা এখনো শেষ হয়নি। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সমর্থন এবং এই প্রথা বাতিলের জন্য কয়েক বছরের দীর্ঘ আইনি বিতর্কের পরেও, চলতি বছর আমেরিকায় ঘড়ির কাঁটা পরিবর্তনের সময় ঘনিয়ে এসেছে। কংগ্রেস নতুন কোনো আইন পাস না করলে, ১ নভেম্বর, ২০২৬ তারিখে যুক্তরাষ্ট্রের বেশিরভাগ অঞ্চলে ঘড়ির কাঁটা এক ঘণ্টা পিছিয়ে দেওয়া হবে।

আগামী ১ নভেম্বর, রোববার স্থানীয় সময় রাত ২টার সময় ঘড়ির কাঁটা এক ঘণ্টা পিছিয়ে রাত ১টায় নেওয়া হবে। এই পরিবর্তনের ফলে যুক্তরাষ্ট্র স্ট্যান্ডার্ড সময়ে ফিরে যাবে, যার মাধ্যমে আমেরিকানরা অতিরিক্ত এক ঘণ্টা ঘুমের সুযোগ পাবেন। এছাড়া এর ফলে শীতের মাসগুলোতে সূর্যাস্ত কিছুটা আগে ঘটবে এবং সকালের দিকে দিনের আলো বেশি পাওয়া যাবে। সাধারণত মার্চের দ্বিতীয় রোববার থেকে ডে-লাইট সেভিং টাইম শুরু হয় এবং নভেম্বরের প্রথম রোববার তা শেষ হয়।

এই প্রথা বাতিলের জন্য ডেমোক্র্যাট ও রিপাবলিকান উভয় দলের আইনপ্রণেতারা কয়েক বছর ধরে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। যদিও বেশ কিছু বিল উত্থাপিত হয়েছে, যার মধ্যে ২০২২ সালে মার্কিন সিনেটে পাস হওয়া 'সানশাইন প্রোটেকশন অ্যাক্ট' অন্যতম, কিন্তু কোনোটিই চূড়ান্ত আইন হিসেবে কার্যকর হয়নি। জুলাই মাসে মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদে ডে-লাইট সেভিং টাইম স্থায়ী করার একটি বিল পাস হলেও সিনেটে এটি বড় ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ব্যক্তিগতভাবে এই বিলের পক্ষে সমর্থন জোগাড়ের চেষ্টা করছেন এবং আশা প্রকাশ করেছেন যে সিনেট এটি অনুমোদন করবে। তবে সিনেট মেজরিটি লিডার জন থিউন বিলটি পাস হওয়ার জন্য যথেষ্ট ভোট রয়েছে কি না, তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন।

জনমত জরিপগুলোতেও এই প্রথা নিয়ে জনগণের ক্লান্তি ফুটে উঠেছে। ২০২৩ সালের ইউগভ জরিপ অনুযায়ী, ৬২ শতাংশ আমেরিকান ঘড়ির কাঁটা পরিবর্তনের প্রথা বাতিলের পক্ষে মত দিয়েছেন। এছাড়া ২০২৫ সালের জানুয়ারির গ্যালাপ পোল বলছে, ৫৪ শতাংশ মানুষ এই পরিবর্তন বন্ধ করতে চায়, যার মধ্যে ৪৮ শতাংশ সারা বছর স্ট্যান্ডার্ড টাইম বজায় রাখার পক্ষে এবং ২৪ শতাংশ স্থায়ী ডে-লাইট সেভিং টাইম চায়।

স্বাস্থ্য ও ঘুম বিশেষজ্ঞরা দীর্ঘদিন ধরে সতর্ক করে আসছেন যে, ঘড়ির কাঁটা পরিবর্তন মানুষের শরীরের স্বাভাবিক জৈবিক ছন্দ বা সার্কাডিয়ান রিদমকে ব্যাহত করে। ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটির জীববিজ্ঞানের অধ্যাপক এবং সোসাইটি ফর রিসার্চ অন বায়োলজিক্যাল রিদমসের সাবেক প্রেসিডেন্ট এরিক হারজোগের মতে, স্থায়ী স্ট্যান্ডার্ড টাইম বজায় রাখা স্বাস্থ্যের জন্য সবচেয়ে ভালো। তিনি জানিয়েছেন, ঘড়ির কাঁটা পরিবর্তন শরীরের অভ্যন্তরীণ ঘড়িকে ব্যাহত করে। বিশেষ করে বসন্তকালে ঘড়ির কাঁটা এক ঘণ্টা এগিয়ে নেওয়া স্বাস্থ্যের জন্য বেশি ঝুঁকিপূর্ণ এবং এটি হৃদরোগ ও সড়ক দুর্ঘটনার সাথে সম্পর্কিত হতে পারে। আপাতত, আইন পরিবর্তনের কোনো নিশ্চয়তা না থাকায় নভেম্বরের শুরুতে ঘড়ির কাঁটা পেছানোর প্রস্তুতিই নিতে হচ্ছে মার্কিন নাগরিকদের।

শিরোনাম :
রাশিয়ায় পড়তে গিয়ে কফিনবন্দী হয়ে ফিরলেন এক বাংলাদেশি!!! সিরামিক শিল্পে চীনা প্রযুক্তি ব্যবহারের ওপর জোর পার্লামেন্টে প্রধানমন্ত্রীকে ডিম ছুড়ে মারলেন বিরোধী এমপি মার্কিন বাজারে মন্দার মধ্যেও শক্ত অবস্থানে বাংলাদেশ: চীন-ভারতের বড় পতন ঘরভাড়ার ৫০০ টাকা জোগাতে মাথার চুল বিক্রি করলেন মা ‘খেলাধুলায় মাদকমুক্ত সমাজ, তৃণমূল থেকে প্রতিভা খুঁজতে চাই’: আমিনুল হক মাঠের প্রতিবাদ থেকে নতুন পরিচয়, ইরানের দুই নারী ফুটবলার পেলেন অস্ট্রেলিয়ার নাগরিকত্ব  ধ্রুবতারার বিদায়, মহাতারকা লিওনেল মেসির ছায়াসঙ্গী বাবার প্রয়াণ আমিরাতে হঠাৎ ভিসা বাতিলের ঘটনায় প্রবাসীদের সতর্ক করল বাংলাদেশ দূতাবাস নাসার মহাকাশ গবেষণার নেতৃত্বে এক বাংলাদেশি, জেমস ওয়েবের পর এবার রোমান টেলিস্কোপ রাশিয়ায় পড়তে গিয়ে কফিনবন্দী হয়ে ফিরলেন এক বাংলাদেশি!!! সিরামিক শিল্পে চীনা প্রযুক্তি ব্যবহারের ওপর জোর পার্লামেন্টে প্রধানমন্ত্রীকে ডিম ছুড়ে মারলেন বিরোধী এমপি মার্কিন বাজারে মন্দার মধ্যেও শক্ত অবস্থানে বাংলাদেশ: চীন-ভারতের বড় পতন ঘরভাড়ার ৫০০ টাকা জোগাতে মাথার চুল বিক্রি করলেন মা ‘খেলাধুলায় মাদকমুক্ত সমাজ, তৃণমূল থেকে প্রতিভা খুঁজতে চাই’: আমিনুল হক মাঠের প্রতিবাদ থেকে নতুন পরিচয়, ইরানের দুই নারী ফুটবলার পেলেন অস্ট্রেলিয়ার নাগরিকত্ব  ধ্রুবতারার বিদায়, মহাতারকা লিওনেল মেসির ছায়াসঙ্গী বাবার প্রয়াণ আমিরাতে হঠাৎ ভিসা বাতিলের ঘটনায় প্রবাসীদের সতর্ক করল বাংলাদেশ দূতাবাস নাসার মহাকাশ গবেষণার নেতৃত্বে এক বাংলাদেশি, জেমস ওয়েবের পর এবার রোমান টেলিস্কোপ
DGEN NEWS
Privacy Overview

This website uses cookies so that we can provide you with the best user experience possible. Cookie information is stored in your browser and performs functions such as recognising you when you return to our website and helping our team to understand which sections of the website you find most interesting and useful.