বিয়ের মূল আনুষ্ঠানিকতা শেষে নবদম্পতিকে অভিনন্দন জানাতে ও অতিথিদের আপ্যায়নের জন্য যে সামাজিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়, তা-ই বিবাহোত্তর সংবর্ধনা বা রিসেপশন। সাধারণত এই আয়োজনে আত্মীয়স্বজন ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা অংশ নিয়ে নবদম্পতির সুখী জীবনের প্রার্থনা করেন। প্রবাসের মাটিতে এই সামাজিক রীতিনীতি অনেক সময় রূপ নেয় এক মহোৎসবে, যেখানে ভেদাভেদ ভুলে সবাই একত্রিত হন। গত ২০ সেপ্টেম্বর রোববার জাপানে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিরা তেমনি এক আনন্দঘন আয়োজনে মেতে উঠেছিলেন।
এদিন জাপান বিএনপির সভাপতি মীর রেজাউল করিম রেজা ও মীর কাজুয়ে দম্পতির জ্যেষ্ঠ পুত্র মীর দোদি আল রিউ এবং মোরি নানাকোর বিবাহোত্তর সংবর্ধনা অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়। টোকিওর কাছে ইবারাকি প্রিফেকচারের সাশিমা সিটিতে অবস্থিত ‘ব্যাংকোয়েট হাউস আলিমোর’-এ এই রাজকীয় অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। প্রতিকূল আবহাওয়া ও সামুদ্রিক ঝড়ের কারণে সৃষ্ট বৃষ্টি উপেক্ষা করে অনুষ্ঠানে যোগ দেন বিপুলসংখ্যক অতিথি। প্রবাসীদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতিতে পুরো আয়োজনস্থল যেন রূপ নিয়েছিল এক টুকরো বাংলাদেশে।
ব্যতিক্রমী এই আয়োজনে দল, মত, ধর্ম ও বর্ণ নির্বিশেষে সর্বস্তরের প্রবাসী বাংলাদেশিরা অংশ নেন। তাদের পাশাপাশি উল্লেখযোগ্যসংখ্যক জাপানি নাগরিক এবং অন্যান্য দেশের অতিথিরাও উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে প্রধান আকর্ষণ হিসেবে যোগ দিয়ে নবদম্পতিকে শুভেচ্ছা জানান জাপানে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. দাউদ আলী। অতিথিদের এমন প্রাণবন্ত উপস্থিতি ও পারস্পরিক সৌহার্দ্য প্রবাসে বাঙালিদের সামাজিক মেলবন্ধনকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যায়। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: সাধারণত ‘রিসেপশন’ নামে পরিচিত এ অনুষ্ঠানে আত্মীয়স্বজন, বন্ধুবান্ধব ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের আমন্ত্রণ জানানো হয়। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: আমন্ত্রিত অতিথিরা নবদম্পতিকে উপহার দিয়ে তাদের সুখী দাম্পত্য জীবনের জন্য শুভকামনা জানান। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ২০ সেপ্টেম্বর রোববার তেমনি এক আনন্দঘন উৎসবে মেতে উঠেছিল জাপানপ্রবাসী বাংলাদেশি সমাজ।

