চাঁদে স্পেসএক্স রকেটের ধ্বংসাবশেষের ধাক্কা, ছবি প্রকাশ করল দক্ষিণ কোরিয়া

দক্ষিণ কোরিয়ার মহাকাশ সংস্থা 'কোরিয়ান অ্যারোস্পেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন' (KASA) চাঁদের পৃষ্ঠে স্পেসএক্স রকেটের একটি অংশের আছড়ে পড়ার ছবি প্রকাশ করেছে। সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী, বুধবার জিএমটি সময় সকাল ৬টা ৩৫ মিনিটে রকেটের ধ্বংসাবশেষটি চাঁদের বুকে আঘাত হানে। সংঘর্ষের পরবর্তী অবস্থার ছবির পাশাপাশি ঘটনার আগের অবস্থার ছবিও শেয়ার করেছে কাসা। এই ছবিগুলো ধারণ করেছে তাদের লুনার অরবিটার 'দানুবরি'।

স্পেসএক্স জানিয়েছে, এই সংঘর্ষ ইচ্ছাকৃত ছিল না। তাদের ফ্যালকন ৯ রকেটগুলো এমনভাবে নকশা করা হয়েছে যাতে রকেটের উপরের অংশ পৃথিবীতে ফিরে আসতে পারে এবং অন্যান্য অংশ মহাকাশে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। তবে এবারের ঘটনায় রকেটের খালি উপরের অংশটি চাঁদের দিকে ধাবিত হয়। বিজ্ঞানীরা ধারণা করেছিলেন, পাঁচ তলা ভবনের সমান উচ্চতা এবং প্রায় ৪,০০০ কেজি (৬৩০ স্টোন) ওজনের এই রকেট অংশটি ঘণ্টায় প্রায় ৫,৪০০ মাইল (৮,৭০০ কিমি) গতিতে চাঁদে আঘাত করবে।

যদিও এই সংঘর্ষ পৃথিবীতে কোনো ঝুঁকির কারণ ছিল না, তবে মহাকাশ গবেষণা সংস্থাগুলো বিষয়টি বিশ্লেষণ করছে। কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের জ্যোতির্বিজ্ঞানী ম্যাট বোথওয়েল মহাকাশে বাড়ছে ধ্বংসাবশেষের পরিমাণ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, মহাকাশ ক্রমশ জনাকীর্ণ হয়ে পড়ছে এবং প্রতি বছর সেখানে নতুন নতুন বস্তু উৎক্ষেপণ করা হচ্ছে। তার মতে, কয়েক দশকের মধ্যেই পৃথিবীর কক্ষপথ অতিক্রম করা কঠিন হয়ে পড়তে পারে।

গত বছরের জানুয়ারিতে ফ্লোরিডা থেকে উৎক্ষেপণ করা হয়েছিল এই ফ্যালকন ৯ রকেটটি। সে সময় এটি দুটি লুনার ল্যান্ডারকে মহাকাশে নিয়ে গিয়েছিল। রকেটটির উপরের অংশটি ল্যান্ডারগুলোকে পৃথিবীর কক্ষপথ থেকে চাঁদের পথে পাঠিয়ে দেওয়ার জন্য ব্যবহৃত হয়েছিল। এরপর রকেটের এই অংশটি দীর্ঘ ও বৃত্তাকার কক্ষপথে ভাসমান অবস্থায় ছিল। সূর্য, পৃথিবী ও চাঁদের মহাকর্ষীয় প্রভাবে এবং সূর্যের আলোর চাপে এটি ধীরে ধীরে চাঁদের দিকে সরে যেতে থাকে এবং শেষ পর্যন্ত বুধবার চাঁদের পৃষ্ঠে আঘাত হানে। দিনের আলোয় এই সংঘর্ষের ফলে সৃষ্ট ছোট ফ্ল্যাশটি টেলিস্কোপের মাধ্যমে দেখা অত্যন্ত কঠিন ছিল। একই বুস্টার অংশটি আগামী ১০ আগস্ট তার ১৮তম ফ্লাইটে যাওয়ার কথা রয়েছে, যার মাধ্যমে ২৯টি স্টারলিংক স্যাটেলাইট নিম্ন-পৃথিবী কক্ষপথে উৎক্ষেপণের পরিকল্পনা রয়েছে স্পেসএক্সের।

শিরোনাম :
বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী মালয়েশিয়ার উদ্যোক্তারা! নিউইয়র্কে মানবিক সহায়তা সংস্থাগুলোর সাথে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘের কাছে পরিত্যক্ত স্যুটকেস ঘিরে বোমা আতঙ্ক! জাতিসংঘকে ‘অকার্যকর’ বললেন আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট! রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন-দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যে গুরুত্বারোপ প্রধানমন্ত্রীর আইফোন ব্যবহারকারীদের ৩ হাজার কোটি টাকা দিচ্ছে অ্যাপল! ইউপি নির্বাচন হবে নির্দলীয় প্রতীকে: ইসি ফুডপান্ডার এমডিসহ ৫ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ২০২৬ চলছে, কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রে শুরু হয়ে গেছে ২০২৮-এর প্রেসিডেন্ট দৌড় জাপানে মীর দোদি ও মোরি নানাকোর বিবাহোত্তর সংবর্ধনা সম্পন্ন বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী মালয়েশিয়ার উদ্যোক্তারা! নিউইয়র্কে মানবিক সহায়তা সংস্থাগুলোর সাথে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘের কাছে পরিত্যক্ত স্যুটকেস ঘিরে বোমা আতঙ্ক! জাতিসংঘকে ‘অকার্যকর’ বললেন আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট! রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন-দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যে গুরুত্বারোপ প্রধানমন্ত্রীর আইফোন ব্যবহারকারীদের ৩ হাজার কোটি টাকা দিচ্ছে অ্যাপল! ইউপি নির্বাচন হবে নির্দলীয় প্রতীকে: ইসি ফুডপান্ডার এমডিসহ ৫ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ২০২৬ চলছে, কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রে শুরু হয়ে গেছে ২০২৮-এর প্রেসিডেন্ট দৌড় জাপানে মীর দোদি ও মোরি নানাকোর বিবাহোত্তর সংবর্ধনা সম্পন্ন
DGEN NEWS
Privacy Overview

This website uses cookies so that we can provide you with the best user experience possible. Cookie information is stored in your browser and performs functions such as recognising you when you return to our website and helping our team to understand which sections of the website you find most interesting and useful.