দেশের গ্যাস সংকট স্থায়ীভাবে কাটিয়ে উঠতে মধ্যমেয়াদে দেশজুড়ে নতুন ১৫০টি গ্যাসকূপ খননের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া সক্ষমতা বাড়াতে বর্তমান দুটি এলএনজি টার্মিনালের পাশাপাশি আরও তিনটি টার্মিনাল যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে, যার মধ্যে ২০২৮ সালের আগেই তৃতীয় টার্মিনালটি চালুর চেষ্টা চলছে। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আয়োজিত এক বিশেষ সংবাদ সম্মেলনে সরকারের বিভিন্ন কর্মকাণ্ড তুলে ধরে এসব তথ্য জানান প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র ও উপদেষ্টা মাহদী আমিন।
সংবাদ সম্মেলনে মাহদী আমিন আরও জানান, বর্তমান ১৫০টি কূপ খননের কর্মসূচির পরবর্তী ধাপে আরও ১৫০টি কূপ খননের কার্যক্রম হাতে নেওয়া হবে। দেশের দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতের লক্ষ্যে চট্টগ্রামের ইস্টার্ন রিফাইনারি সম্প্রসারণে এক বিলিয়ন ডলারের আন্তর্জাতিক অর্থায়ন পাওয়া গেছে এবং এর কাজও শুরু হয়েছে। সম্প্রতি ব্যবসায়ী ও শিল্প সংগঠনের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মতবিনিময়ের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, গ্যাস সংকট নিরসনে সর্বোচ্চ পদক্ষেপ নেওয়ার যে প্রতিশ্রুতি প্রধানমন্ত্রী দিয়েছিলেন, তার ফলে এরই মধ্যে গ্যাসের সরবরাহ বেড়েছে এবং দৃশ্যমান উন্নতি হচ্ছে।
একই সংবাদ সম্মেলনে দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতির ইতিবাচক পরিবর্তনের চিত্রও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা। তিনি জানান, আন্তর্জাতিক ঋণমান নির্ধারণকারী সংস্থা মুডিসের পূর্বাভাসে বাংলাদেশের অবস্থান ‘নেতিবাচক’ থেকে ‘স্থিতিশীল’ পর্যায়ে উন্নীত হয়েছে। এ ছাড়া দেশের মূল্যস্ফীতি কমে আসা এবং প্রবাসী আয় তথা রেমিট্যান্স বৃদ্ধির ক্ষেত্রে বর্তমান সরকারের বিভিন্ন সময়োপযোগী উদ্যোগ ও অর্জনের তথ্য তিনি বিস্তারিতভাবে উপস্থাপন করেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এরপর গ্যাসের প্রবাহ অনেকটাই বেড়েছে এবং দৃশ্যমান উন্নয়ন দেখা যাচ্ছে।’’।

