বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বহর সম্প্রসারণে মার্কিন বিমান প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান ‘বোয়িং’ (Boeing)-এর কাছ থেকে আরও ১১টি বাণিজ্যিক উড়োজাহাজ কেনার বাণিজ্যিক চুক্তিকে স্বাগত জানিয়েছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন। তিনি বলেছেন, এই চুক্তি বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের পারস্পরিক সম্পর্কের জন্য আরেকটি ‘উইন-উইন’ অর্জন, যা থেকে উভয় দেশই সমানভাবে লাভবান হবে।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় রাষ্ট্রদূত এ অভিমত ব্যক্ত করেন।
রাষ্ট্রদূতের বার্তা ও চুক্তির বিবরণ
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া বার্তায় মার্কিন রাষ্ট্রদূত বোয়িং ও বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সকে অভিনন্দন জানান।
-
রাষ্ট্রদূতের মন্তব্য: মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন বলেন, “বিশ্বসেরা বাণিজ্যিক উড়োজাহাজের আরও ১১টি কেনার চুক্তি সম্পাদন করায় বোয়িং ও বিমানকে অভিনন্দন। এটি যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের জন্য আরেকটি অসাধারণ সাফল্য, যেখানে দুই দেশই লাভবান হবে।”
-
নিউইয়র্কে চুক্তি স্বাক্ষর: নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের সাইডলাইনে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এই চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠান নিয়ে নিজের আগ্রহের কথা জানান মার্কিন প্রতিনিধি।
বিমানের বহর সম্প্রসারণ পরিকল্পনা
এর আগে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বহর শক্তিশালী করতে বোয়িংয়ের সঙ্গে মোট ১৪টি উড়োজাহাজ কেনার মূল চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। সেই চুক্তি অনুযায়ী, ১০টি বোয়িং ৭৮৭ ড্রিমলাইনার এবং ৪টি বোয়িং ৭৩৭ উড়োজাহাজ কেনার কথা রয়েছে।
উল্লেখ্য, সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাতের সঙ্গে অনুষ্ঠিত দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে মার্কিন রাষ্ট্রদূত বোয়িং উড়োজাহাজ সরবরাহ এবং বাংলাদেশের এভিয়েশন খাতের সামগ্রিক বিকাশ ও সম্প্রসারণ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছিলেন।

