২০২৭ সালের হজ কার্যক্রমে অংশগ্রহণের জন্য আরও ৩৮টি এজেন্সিকে প্রাথমিক অনুমতি দিয়েছে সরকার। শর্তসাপেক্ষে ষষ্ঠ পর্যায়ে যোগ্য হজ এজেন্সির এই তালিকা প্রকাশ করেছে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়। এর আগে পাঁচ ধাপে মোট ৬৪২টি এজেন্সিকে অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল, ফলে নতুন তালিকা মিলিয়ে অনুমোদিত এজেন্সির সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬৮০টিতে।
নিবন্ধন ও কোটা সংক্রান্ত নির্দেশনা
ধর্ম মন্ত্রণালয় স্পষ্ট জানিয়েছে, প্রাথমিক তালিকায় নাম থাকা সত্ত্বেও কোনো এজেন্সি যৌক্তিক কারণ ছাড়া হজযাত্রী নিবন্ধন (প্রাক-নিবন্ধন ছাড়া) না করলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ ছাড়া সৌদি সরকারের নির্ধারিত কোটা অনুযায়ী এজেন্সিগুলোকে যৌথভাবে ‘অ্যালায়েন্স’ বা গ্রুপ গঠন করে হজযাত্রী পাঠাতে হবে। প্রতিটি এজেন্সিকে সর্বনিম্ন ৪৪ জন হজযাত্রী নিবন্ধন করতে হবে।
প্যাকেজ ও গাইড নিয়োগে কড়াকড়ি
ই-হজ সিস্টেমে হোটেল দূরত্ব, সেবা ও মোট মূল্য উল্লেখ করে ঘোষিত প্যাকেজ নির্ধারণ করতে হবে, যা যাত্রী ও এজেন্সির মধ্যে চুক্তিপত্র হিসেবে গণ্য হবে। প্রতি ৪৪ জন হজযাত্রীর জন্য তথ্যপ্রযুক্তিতে দক্ষ এবং আরবি ভাষায় পারদর্শী একজন অভিজ্ঞ হজ গাইড নিয়োগ দেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
লাইসেন্স ও আইনি নিয়মাবলি
কোনো অনিবন্ধিত ব্যক্তিকে সৌদি আরব পাঠানোর চেষ্টা করলে কারণ দর্শানোর নোটিশ ছাড়াই এজেন্সির লাইসেন্স বাতিল ও আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে। এজেন্সিগুলোকে আগামী ২০২৭ সালের জুন পর্যন্ত লাইসেন্স নবায়নের শর্তে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। অনুমোদিত এজেন্সিগুলো ছাড়া অন্য সব এজেন্সির প্রাক-নিবন্ধন কার্যক্রম আপাতত স্থগিত থাকবে বলে মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় জানানো হয়েছে।

