সুনামগঞ্জ-৩ (জগন্নাথপুর-শান্তিগঞ্জ) আসন থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য কয়ছর এম আহমেদকে লন্ডনে এক জাঁকজমকপূর্ণ নাগরিক সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে। গত ২৭ জুলাই পূর্ব লন্ডনের একটি স্থানীয় হলে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে জগন্নাথপুর ও শান্তিগঞ্জ এলাকার প্রবাসীরা তাকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান। যুক্তরাজ্য বিএনপির সাবেক সিনিয়র সহসভাপতি আব্দুল হামিদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই আয়োজনে সঞ্চালনা করেন যুক্তরাজ্য বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য মিসবাহুজ্জামান সোহেল এবং সেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক মোঃ আবুল হোসেন।
অনুষ্ঠানে যুক্তরাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে প্রবাসী বাংলাদেশি রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ অংশ নেন। বক্তারা তাদের বক্তব্যে উল্লেখ করেন যে, দীর্ঘদিন প্রবাসে অবস্থান করে কয়ছর এম আহমেদ গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা ও ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন। দেশের রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর দেশে ফিরে জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ায় প্রবাসীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে এমপি কয়ছর এম আহমেদ বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। তিনি বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, লন্ডনে দীর্ঘ সময় ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলন করতে গিয়ে তারেক রহমানের নেতৃত্বে অনেক সভা ও কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছি। কঠিন সময়ে তার দিকনির্দেশনা ও আস্থার কারণেই আজ জনগণের সেবা করার সুযোগ পেয়েছি। তিনি আরও বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রচেষ্টায় দেশ আজ সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে যাচ্ছে। দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতিতে প্রবাসীদের ভূমিকা আরও সুদৃঢ় করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
নিজের দীর্ঘ ১৭ বছরের প্রবাসজীবনের সংগ্রাম ও ত্যাগের কথা স্মরণ করে কয়ছর এম আহমেদ বলেন, এই সময়টি ছিল রাজনৈতিক অঙ্গীকারের। তিনি বলেন, আমি শুধু জগন্নাথপুর-শান্তিগঞ্জের এমপি নই, আমি সকল প্রবাসীর প্রতিনিধি। এই সম্মান আমার ব্যক্তিগত নয়, বরং এটি দীর্ঘ আন্দোলন ও গণতন্ত্রের স্বীকৃতি। তিনি জগন্নাথপুর ও শান্তিগঞ্জের মানুষের প্রত্যাশা পূরণে সততা ও জবাবদিহিতার সাথে কাজ করার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন যুক্তরাজ্য বিএনপির আহবায়ক আবুল কালাম আজাদ, সাবেক সভাপতি শায়েস্তা চৌধুরী কুদ্দুছ, সদস্য সচিব খসরুজ্জামান খসরু, জগন্নাথপুর থানা বিএনপির সাবেক সভাপতি বাদশাহ মিয়া লস্কর, আহবায়ক কমিটির সদস্য আলহাজ তৈমুছ আলী, আক্তার হুসেন, গোলাম রব্বানী সোহেল, শরিফুজ্জামান চৌধুরী তপন, এমদাদ হুসেন টিপু, তাজুল ইসলাম, শহিদুল ইসলাম মামুন, জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন ইউরোপ কোর্ডিনেটর কামাল উদ্দিন, দেওয়ান মুকাদ্দেম চৌধুরী নিয়াজ, ডঃ মুজিবুর রহমান, সালেহ গজনবী, ফখরুল ইসলাম বাদল, ফেরদৌস আলম, এম এ কাদির, সুজাতুর রেজা, টাওয়ার হ্যামলেটসের সাবেক মেয়র কাউন্সিলর দরস উল্লাহ, বিসিবি পরিচালক সরফরাজ সরফু, কবির আহমদ, রাজু আহমদ, সোহেল আহমদ, জাহেদ আলী, কামাল মিয়া, আওলাদ হুসেন ও আলিফ মিয়াসহ অনেকে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্ৰচেষ্টায় দেশের মানুষ একটি সমৃদ্ধশালী বাংলাদেশ দেখতে পাচ্ছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: কঠিন সময়ে দলের নেতাকর্মীদের সাহস ও দিকনির্দেশনা দিয়ে তিনি গণতান্ত্রিক আন্দোলনকে এগিয়ে নিয়েছেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: সবাই তাকে সহযোগিতা করলে আমরা একটি সফল বাংলাদেশ দেখতে পাবো। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: দেশের প্রতি ভালোবাসা ও দায়বদ্ধতা থেকেই প্রবাসীরা সবসময় জাতীয় স্বার্থে অবদান রেখে চলেছেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: আন্দোলনের নানা চ্যালেঞ্জ, কর্মসূচি এবং প্রবাসীদের অকুণ্ঠ সমর্থনের কথা স্মরণ করছি। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: প্রবাসীদের অবদান জাতি চিরদিন শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: পাশাপাশি প্রবাসীদের অবদান দেশের উন্নয়নে আরও কার্যকরভাবে কাজে লাগানোর আশ্বাস দেন।

