সৌদি আরবের জিজান শহরে অবস্থিত রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানি সৌদি আরামকোর তেল স্থাপনায় নতুন করে হামলার ঘটনা ঘটেছে। বিষয়টি সম্পর্কে অবগত দুজন ব্যক্তি নিশ্চিত করেছেন যে, সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) আরামকোর তেল অবকাঠামো লক্ষ্য করে এই হামলা চালানো হয়। গত মাসের পর এটি আরামকোর ওপর দ্বিতীয় কোনো হামলার ঘটনা। তবে তাৎক্ষণিকভাবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ করা সম্ভব হয়নি এবং এ বিষয়ে কোম্পানিটির পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
সূত্রগুলো জানিয়েছে, সর্বশেষ এই হামলার তীব্রতা গত মাসের হামলার মতোই ছিল। এই ঘটনার পরপরই আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দামে প্রভাব পড়েছে। ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ১ দশমিক ২ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ৯৭ দশমিক ৪০ ডলারে পৌঁছেছে। জিজান শহরটি সৌদি আরবের ইয়েমেন সীমান্তের নিকটবর্তী একটি শিল্প এলাকা, যেখানে প্রতিদিন ৪ লাখ ব্যারেল তেল পরিশোধনের সক্ষমতাসম্পন্ন বড় একটি শোধনাগার রয়েছে। এর আগে থেকেই শহরটি হুতি বিদ্রোহীদের হামলার লক্ষ্যবস্তু হয়ে আসছে, যদিও নতুন এই হামলার দায় এখনো কেউ স্বীকার করেনি।
গত জুলাই মাসে লোহিত সাগরের বন্দরগুলো অবরোধের ঘোষণা দেওয়ার পর থেকেই হুতিদের সঙ্গে সৌদি আরবের সংঘাত নতুন মাত্রা পেয়েছে। এর ধারাবাহিকতায় গত কয়েক সপ্তাহ ধরে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে সৌদি আরবের বিভিন্ন জ্বালানি অবকাঠামোয় একাধিকবার হামলা চালানো হয়েছে। যদিও এসব হামলার কারণে তেল উৎপাদনে কিছুটা বিঘ্ন ঘটেছে বলে গত মাসে জানিয়েছিলেন সৌদি আরামকোর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আমিন নাসের। তবে তিনি দাবি করেছিলেন যে, এর ফলে কোম্পানির সামগ্রিক কার্যক্রম বা আর্থিক অবস্থার ওপর উল্লেখযোগ্য কোনো নেতিবাচক প্রভাব পড়েনি। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত মাসের পর ফের হামলার শিকার হলো সৌদি আরামকো। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তবে সর্বশেষ এই হামলায় কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তা তাৎক্ষনিকভাবে জানানো হয়নি।

