জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের ভূমিকা নিয়ে কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মো. রাশেদ খাঁন।
নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম হ্যান্ডেলে দেওয়া এক দীর্ঘ বিবৃতিতে তিনি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এবং বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে এনসিপি ও জামায়াত-শিবিরের কর্মকাণ্ড বিশ্লেষণ করেন।
রাশেদ খাঁন উল্লেখ করেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রথম ১৮ মাসে এনসিপির নেতাকর্মী ও সমন্বয়কদের নানা দাপট ও অপকর্মের খবর প্রতিনিয়ত গণমাধ্যমে এসেছে। শহীদ ওসমান হাদী এনসিপির যে প্রধান তিনটি অপরাধ চিহ্নিত করেছিলেন জুলাইয়ের ঐক্য বিনষ্ট করা, আওয়ামী লীগের ৭১ কুক্ষিগত করার মতো জুলাই আন্দোলনকে কুক্ষিগত করা এবং দুর্নীতির আশ্রয় নেওয়া সেগুলোই তাদের প্রধান ব্যর্থতা ছিল। তবে বর্তমানে বিরোধীদলে অবস্থান নেওয়ায় এবং সচিবালয়ে প্রবেশের ক্ষমতা না থাকায় তাদের সেই দাপট কমে গেছে। এনসিপির এই পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে রাশেদ খাঁন মন্তব্য করেন, “সুযোগের অভাবে তাদের সৎ মনে হচ্ছে।”
অন্যদিকে জামায়াত-শিবিরের ভূমিকার তীব্র সমালোচনা করে তিনি বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে তাদের অপকর্ম অতটা প্রকাশ্যে না এলেও, বর্তমানে তারা পাল্লা দিয়ে অপকর্মে জড়িয়ে পড়ছে। বিরোধীদলে থাকার পরও জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীরা বেপরোয়া আচরণ করছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
রাজনৈতিক দলের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, সব দলেরই সহনশীল হওয়া উচিত এবং যৌথ প্রচেষ্টায় দেশকে এগিয়ে নেওয়া প্রয়োজন। সেই সঙ্গে দেশে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সরকারি দলের ছয় মাসের পর্যালোচনার পাশাপাশি বিরোধীদলেরও ছয় মাসের মূল্যায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

