ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সংগ্রহশালায় সংরক্ষিত মুহাম্মদ আলী জিন্নাহর তিনটি ছবি ছিঁড়ে ফেলার ঘটনার বিষয়ে মুখ খুলেছেন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার। সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু তৈয়ব হাবিলদার ছবিগুলো সরিয়ে প্রতিবাদ জানান। এই কর্মকাণ্ডের পরিপ্রেক্ষিতে রাজনৈতিক ইতিহাস সম্পর্কে অজ্ঞতা এবং অন্ধ দলীয় রাজনীতির সমালোচনা করেন জামায়াত নেতা।
সোমবার বিকেলে রাজধানীর কাকরাইলে ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ (আইডিইবি) মিলনায়তনে ন্যাশনাল ডক্টরস ফোরাম ঢাকা মহানগরী দক্ষিণ আয়োজিত এক সিরাতুন্নবী (সা.) কনফারেন্সে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেন গোলাম পরওয়ার। অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, যারা বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাস ও এই ভূখণ্ডের স্বাধীনতার পেছনের প্রেক্ষাপট সম্পর্কে জানেন না এবং প্রথাগত রাজনীতিতে অন্ধ, তারাই কেবল এমন আচরণ করতে পারেন।
গোলাম পরওয়ার আরও বলেন, জিন্নাহর রাজনৈতিক আন্দোলন ও তার বিভিন্ন বক্তব্যের সঙ্গে এই ভূখণ্ডের দেশপ্রেমিক নাগরিকদের সম্পৃক্ততা ছিল। রাজনীতির সাথে যুক্ত ব্যক্তিদের এই ইতিহাস জানা জরুরি উল্লেখ করে তিনি বলেন, রাজনীতিতে পরিপক্কতার অভাব থাকলে এমন অনেক কাজ বা দায়িত্ব পালিত হয় যা জনসমক্ষে প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে ওঠে। তাই ইতিহাস থেকে শিক্ষা নেওয়ার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।
এর আগে, প্রতিবাদকারী শিক্ষার্থী আবু তৈয়ব হাবিলদার তার অবস্থান ব্যাখ্যা করতে গিয়ে বলেছিলেন, ১৯৪৮ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্জন হলে ছাত্রছাত্রীদের গ্রেপ্তার এবং মাতৃভাষার বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ায় জিন্নাহর ছবি ডাকসুতে থাকার যোগ্য নয়। এই ঘটনার মাধ্যমে তিনি নিজের ক্ষোভ ও প্রতিবাদ আনুষ্ঠানিকভাবে তুলে ধরেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: জিন্নাহর ছবি ছেঁড়ার বিষয়ে জানতে চাইলে গোলাম পরওয়ার বলেন, বিষয়টি তারা অবগত হয়েছেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: সাংবাদিকদের কাছে নিজের অবস্থান তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘‘যে জিন্নাহ আমাদের মাতৃভাষার বিরুদ্ধে সিদ্ধান্ত দিয়েছিল, যে জিন্নাহ ১৯৪৮ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্জন হলে ছাত্র-ছাত্রীদের গ্রেপ্তার করেছিল, সেই জিন্নাহ ডাকসুতে স্থা। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তার ভাষায়, ‘‘উনি যে আন্দোলন করেছিলেন, যে কথা বলেছিলেন, এই ভূখণ্ডের সমস্ত দেশপ্রেমিক নাগরিক সে আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত ছিল।

