বাংলাদেশি রোগীদের মালয়েশিয়ায় চিকিৎসা গ্রহণের পুরো প্রক্রিয়া আরও সহজ, ব্যয়সংকোচন ও রোগীবান্ধব করতে সমন্বিত উদ্যোগ নিয়েছে মালয়েশিয়া হেলথকেয়ার ট্রাভেল কাউন্সিল (এমএইচটিসি)। এ লক্ষ্যে চিকিৎসা গ্রহণ, চিকিৎসা-পূর্ব ও উত্তর পর্যবেক্ষণ, টেলিমেডিসিন সেবার সম্প্রসারণ এবং দুই দেশের স্বাস্থ্য খাতের মধ্যে প্রাতিষ্ঠানিক অভিজ্ঞতা বিনিময়ের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৪ সেপ্টেম্বর) কুয়ালালামপুরে বাংলাদেশ হাইকমিশনে হাইকমিশনার মঞ্জুরুল করিম খান চৌধুরীর সঙ্গে এমএইচটিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) দাতো সুরিয়াগান্ধী সুপ্পিয়াহর নেতৃত্বে আসা এক প্রতিনিধিদলের দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে এসব বিষয়ে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
বৈঠকে এমএইচটিসির পরিচালনা পর্ষদের সদস্য, বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির প্রতিনিধি এবং হাইকমিশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকের প্রধান বিষয়সমূহ:
-
সমন্বিত ‘পেশেন্ট জার্নি’: ভিসা গ্রহণ, ভ্রমণ প্রস্তুতি, হাসপাতালে ভর্তি এবং চিকিৎসা শেষে দেশে ফেরার পর ফলো-আপ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট এজেন্ট, হাসপাতাল ও এমএইচটিসির মধ্যে পারস্পরিক সমন্বয় জোরদার করা হবে।
-
টেলিমেডিসিন ও প্রযুক্তি: দেশে ফেরার পরও রোগীরা যেন মালয়েশিয়ার চিকিৎসকদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ রাখতে পারেন, সে জন্য ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ও টেলিমেডিসিন সুবিধা বাড়াবে এমএইচটিসি।
-
মালয়েশিয়া হেলথকেয়ার উইক: দ্বিপক্ষীয় স্বাস্থ্য পর্যটন খাতকে গতিশীল করতে বাংলাদেশে দ্রুতই ‘মালয়েশিয়া হেলথকেয়ার উইক’ আয়োজনের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।
এর আগে প্রতিনিধিদলটি বাংলাদেশের স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রী ফারুখ আহমেদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করে চিকিৎসা পর্যটন নিয়ে প্রাথমিক আলোচনা করে। হাইকমিশনের এই বৈঠকের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশি রোগীদের জন্য বিদেশে চিকিৎসা গ্রহণ প্রক্রিয়া আরও স্বচ্ছ, নিরাপদ ও সহজ হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়েছে।

