যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্ক আরোপ: বাংলাদেশি পণ্য রপ্তানিতে প্রভাব ও বাস্তবতা

জোরপূর্বক শ্রমে পণ্য উৎপাদন যথাযথভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে না পারার অভিযোগে বাংলাদেশসহ ৬০টি দেশের পণ্যের ওপর নতুন করে অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। ইতিপূর্বে কার্যকর থাকা ‘সেকশন ১২২’-এর আওতাধীন ১০ শতাংশ অস্থায়ী শুল্কের মেয়াদ শেষ হওয়ায় এখন ‘সেকশন ৩০১’-এর আওতায় নতুন করে একই হারের (১০ শতাংশ) শুল্ক কার্যকর করা হয়েছে।
বাংলাদেশ থেকে তৈরি পোশাক রপ্তানিতে আগে থেকেই গড়ে ১৫ শতাংশ শুল্ক বহাল ছিল। নতুন এই অতিরিক্ত ১০ শতাংশ যুক্ত হওয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশি পণ্য রপ্তানিতে মোট শুল্ক দাঁড়াবে প্রায় ২৫ থেকে ২৭ শতাংশে।
সরকার ও রপ্তানিকারকদের অবস্থান
নতুন এ সিদ্ধান্তকে অতিরিক্ত কোনো শুল্ক বৃদ্ধি হিসেবে দেখছেন না বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির ও বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খান। তাঁদের মতে, এটি মূলত পুরোনো শুল্ক ব্যবস্থার একটি প্রতিস্থাপন (রিপ্লেসমেন্ট)। বিজিএমইএ সভাপতির মতে, শতাংশের হিসাবে অতিরিক্ত কোনো হার না বাড়ায় তাৎক্ষণিকভাবে রপ্তানিতে নতুন কোনো বড় ধাক্কা আসবে না।
এ ছাড়া পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, বাংলাদেশসহ ১৭টি দেশের ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন ১০ শতাংশ শুল্ক নির্ধারণ করা হলেও চীন, ভিয়েতনাম ও থাইল্যান্ডের মতো প্রধান প্রতিযোগী দেশগুলোর ওপর ১২.৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হয়েছে। ফলে প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী দেশগুলোর তুলনায় মার্কিন বাজারে বাংলাদেশের তুলনামূলক সুবিধাজনক অবস্থান অক্ষুণ্ণ ও কিছুটা জোরালো থাকবে।
অর্থনীতিবিদদের উদ্বেগ ও চ্যালেঞ্জ
সরকার ইতিবাচক মনোভাব দেখালেও অর্থনীতিবিদরা এতে দীর্ঘমেয়াদি কিছু ঝুঁকি দেখছেন। বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সিপিডির গবেষণা পরিচালক খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম মনে করেন, যুক্তরাষ্ট্রের নীতিগত কড়াকড়ির কারণে বাংলাদেশি পণ্যের সামগ্রিক চাহিদা হ্রাস পেতে পারে।
বিশেষ করে, বাংলাদেশ নিজেদের পোশাকে যেসব কাঁচামাল বা থার্ড-পার্টি মেটেরিয়াল ব্যবহার করে (যেমন: চীন থেকে আমদানিকৃত সুতা বা কাপড়ে জোরপূর্বক শ্রম ব্যবহারের অভিযোগ), পরোক্ষভাবে তার প্রভাব শুল্ক শর্তে পড়তে পারে। ফলে দ্রুত কাঁচামালের উৎস ও রপ্তানি বাজার বহুমুখী না করলে দীর্ঘমেয়াদে চ্যালেঞ্জে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হতে পারে।
শিরোনাম :
স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা ছাড়া ইসরায়েলের সঙ্গে কোনো সম্পর্ক নয়: সৌদি আরব বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে দিল্লি নিতে কেন এত মরিয়া ভারত! হরমুজ প্রণালি চালুর বিষয়ে নতুন ৩ শর্ত দিল ইরান! ২০৩০ সালের মধ্যে মালয়েশিয়া-থাইল্যান্ডকে ছাড়িয়ে যাবে বাংলাদেশ! নেপালে পাহাড়ি ঢল ও বন্যায় মৃতের সংখ্যা ৫৩৮, নিখোঁজ সহস্রাধিক যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্ক আরোপ: বাংলাদেশি পণ্য রপ্তানিতে প্রভাব ও বাস্তবতা অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্ট জয় উদযাপন, ১৪ বাংলাদেশি সাংবাদিককে সংবর্ধনা বিদেশি উদ্ধারকারী দলের সহায়তা প্রত্যাখ্যান নেপালের! কক্সবাজারে হাউসবোট ডুবে নিউজিল্যান্ডের কিশোরের মৃত্যু তিব্বতে আবার প্রলয়ঙ্করী বন্যার উচ্চ ঝুঁকি, উদ্ধারকাজ স্থগিত করল চীন স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা ছাড়া ইসরায়েলের সঙ্গে কোনো সম্পর্ক নয়: সৌদি আরব বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে দিল্লি নিতে কেন এত মরিয়া ভারত! হরমুজ প্রণালি চালুর বিষয়ে নতুন ৩ শর্ত দিল ইরান! ২০৩০ সালের মধ্যে মালয়েশিয়া-থাইল্যান্ডকে ছাড়িয়ে যাবে বাংলাদেশ! নেপালে পাহাড়ি ঢল ও বন্যায় মৃতের সংখ্যা ৫৩৮, নিখোঁজ সহস্রাধিক যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্ক আরোপ: বাংলাদেশি পণ্য রপ্তানিতে প্রভাব ও বাস্তবতা অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্ট জয় উদযাপন, ১৪ বাংলাদেশি সাংবাদিককে সংবর্ধনা বিদেশি উদ্ধারকারী দলের সহায়তা প্রত্যাখ্যান নেপালের! কক্সবাজারে হাউসবোট ডুবে নিউজিল্যান্ডের কিশোরের মৃত্যু তিব্বতে আবার প্রলয়ঙ্করী বন্যার উচ্চ ঝুঁকি, উদ্ধারকাজ স্থগিত করল চীন
DGEN NEWS
Privacy Overview

This website uses cookies so that we can provide you with the best user experience possible. Cookie information is stored in your browser and performs functions such as recognising you when you return to our website and helping our team to understand which sections of the website you find most interesting and useful.