আসন্ন নতুন কাঠামোর ‘ডি থ্রি’ ট্রফিকে সামনে রেখে দল গোছাতে শুরু করেছে ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো। ক্রিকেটারদের নিলামের আগেই মঙ্গলবার মিরপুরে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল বহুল প্রতীক্ষিত ম্যানেজমেন্ট ড্রাফট। এই ড্রাফটের মাধ্যমে ছয়টি ফ্র্যাঞ্চাইজি তাদের প্রধান কোচ, সহকারী কোচ, ফিজিওথেরাপিস্ট এবং স্ট্রেংথ অ্যান্ড কন্ডিশনিং কোচসহ সাপোর্ট স্টাফ নির্বাচন সম্পন্ন করেছে।
কোচিং প্যানেলে দেখা গেছে জাতীয় দলের সাবেক তারকা ক্রিকেটার ও অভিজ্ঞ স্থানীয় কোচদের বড় নাম। লটারির মাধ্যমে দেশের অন্যতম সেরা দেশি কোচ মোহাম্মদ সালাহউদ্দিনকে প্রধান কোচ হিসেবে দলে ভিড়িয়েছে ফরচুন গ্রুপ। তার সহকারী হিসেবে থাকছেন সাবেক অধিনায়ক মোহাম্মদ আশরাফুল ও আবদুল করিম জুয়েল।
একমি ফ্র্যাঞ্চাইজির প্রধান কোচের দায়িত্ব পেয়েছেন সাবেক জাতীয় ক্রিকেটার রাজিন সালেহ। তার সহকারী হিসেবে কাজ করবেন তারেক আজিজ খান ও ফয়সাল হোসেন ডিকেন্স। অন্যদিকে ওয়ালটন তাদের প্রধান কোচ হিসেবে বেছে নিয়েছে জাতীয় দলের সাবেক বাঁহাতি স্পিনার আবদুর রাজ্জাককে; তার সঙ্গে সহকারী কোচ হিসেবে থাকবেন তুষার ইমরান ও ডলার মাহমুদ।
অন্যান্য দলের মধ্যে এস ব্লুস্টারের প্রধান কোচ হয়েছেন সোহেল ইসলাম (সহকারী: সালাহউদ্দিন আহমেদ উজ্জ্বল ও আশিকুর রহমান মজুমদার), সিটিজেনস ব্যাংকের দায়িত্ব পেয়েছেন মিজানুর রহমান বাবুল (সহকারী: নাজমুল হোসেন ও মোহাম্মদ সেলিম) এবং সেভেন রিংস সিমেন্টের প্রধান কোচ হয়েছেন তালহা জুবায়ের (সহকারী: হান্নান সরকার ও হুমায়ুন কবির শাহীন)।
এছাড়া ফিজিওথেরাপিস্ট ও ফিটনেস ট্রেনারদের তালিকায় রয়েছে অভিজ্ঞ মুখদের আনাগোনা। ফরচুনে বায়েজিদুল ইসলাম খান, ওয়ালটনে এনামুল হক, সেভেন রিংস সিমেন্টে দেলোয়ার হোসেন, ব্লুস্টারে জয় বিশ্বাস, একমিতে আবু রেজা মোহাম্মদ শরিফুল ইসলাম এবং সিটিজেনস ব্যাংকে খায়রুল ইসলাম ফিজিওথেরাপিস্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
নতুন বিন্যাসের এই ‘ডি থ্রি’ ট্রফিতে একই ৬টি ফ্র্যাঞ্চাইজি টি-টোয়েন্টি, চার দিনের ম্যাচ ও ৫০ ওভারের তিন সংস্করণেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে। দলগুলো সর্বোচ্চ ২৩ সদস্যের স্কোয়াড গঠন করতে পারবে। আগামী ২৬ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে ক্রিকেটারদের চূড়ান্ত নিলাম। এরপর আগামী ডিসেম্বরে টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্ট দিয়ে মাঠের লড়াই শুরু হবে। পরবর্তীতে ২০২৭ সালের জানুয়ারিতে চার দিনের ম্যাচ এবং মে মাসে ৫০ ওভারের টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হবে।

