যুক্তরাষ্ট্রে একটি সাধারণ বাড়ি কিনতে কত আয় প্রয়োজন? জানাল রেডফিন

যুক্তরাষ্ট্রে একটি সাধারণ বা মাঝারি দামের বাড়ি কিনতে হলে একটি পরিবারের বার্ষিক ১০৯,৭৯৬ ডলার আয় থাকতে হবে। আবাসন গবেষণা প্রতিষ্ঠান রেডফিনের সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে। এই আয়ের হিসাবটি করা হয়েছে এই শর্তে যে, বাড়ি ক্রেতারা তাদের আয়ের সর্বোচ্চ ৩০ শতাংশ আবাসন খাতের পেছনে ব্যয় করবেন।

রেডফিনের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাড়ি কেনার জন্য প্রয়োজনীয় এই বার্ষিক আয়ের পরিমাণটি গত বছরের রেকর্ড সর্বোচ্চ ১১০,৩৮২ ডলারের চেয়ে মাত্র ০.৫ শতাংশ কম। এর অর্থ হলো, গত এক বছরে যুক্তরাষ্ট্রে বাড়ি কেনার জন্য প্রয়োজনীয় আয়ের ক্ষেত্রে খুব একটা পরিবর্তন আসেনি এবং তা প্রায় একই রয়ে গেছে।

তবে স্বস্তির বিষয় হলো, আয়ের এই ঘাটতি আগের চেয়ে কিছুটা কমেছে। বর্তমানে একটি সাধারণ মার্কিন পরিবার বাড়ি কেনার জন্য প্রয়োজনীয় আয়ের চেয়ে প্রায় ২২,২০০ ডলার কম উপার্জন করছে। এক বছর আগে এই ঘাটতি ছিল প্রায় ২৬,১০০ ডলার এবং দুই বছর আগে তা ছিল প্রায় ২৮,৯০০ ডলার। ঘাটতি কমলেও সাধারণ ক্রেতাদের জন্য এটি এখনও একটি বড় বাধা হিসেবে কাজ করছে।

রেডফিনের সংজ্ঞা অনুযায়ী, কোনো বাড়িকে তখনই সাশ্রয়ী বা কেনার সামর্থ্যের মধ্যে বলা যাবে, যখন একজন ক্রেতা ১৫ শতাংশ ডাউন পেমেন্ট দেওয়ার পর তার মাসিক আয়ের অনূর্ধ্ব ৩০ শতাংশ মর্টগেজ কিস্তি, সম্পত্তি কর এবং অন্যান্য আবাসন খরচের পেছনে ব্যয় করবেন। রেডফিনের সিনিয়র অর্থনীতিবিদ ইংকি শু জানান, কয়েক বছর ধরে পরিস্থিতি খারাপ হওয়ার পর বাড়ি কেনার জন্য প্রয়োজনীয় আয়ের পরিমাণটি এখন কিছুটা স্থিতিশীল হয়েছে। তবে এর মানে এই নয় যে সাধারণ আমেরিকানদের জন্য বাড়ি কেনা সহজ হয়ে গেছে।

ইংকি শু আরও বলেন, দেশের বেশিরভাগ অংশে এখন 'ক্রেতাদের বাজার' বা বায়ার্স মার্কেট তৈরি হওয়ায় পরিস্থিতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণের মধ্যে এসেছে। এর ফলে ক্রেতারা বেশি বিকল্প পাচ্ছেন এবং দরদাম করার ক্ষেত্রে বাড়তি সুবিধা ভোগ করছেন। তবে এখনও অনেক প্রথমবার বাড়ি ক্রেতা বাজার থেকে দূরে আছেন, কারণ সাধারণ পরিবারের আয় এখনও বাড়ি কেনার জন্য প্রয়োজনীয় আয়ের চেয়ে অনেক কম। রেডফিনের অর্থনীতিবিদরা জানিয়েছেন, বছরের শেষ নাগাদ এই সামর্থ্যের কিছুটা উন্নতি হতে পারে। তবে সুদের হার বৃদ্ধি, তেলের দাম বৃদ্ধি বা মুদ্রাস্ফীতি বাড়লে পরিস্থিতি আবার খারাপ হতে পারে।

রেডফিন যুক্তরাষ্ট্রের ৪৬টি বড় মেট্রোপলিটন এলাকার তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখেছে যে, এর মধ্যে ২৪টি এলাকায় বাড়ি কেনার সামর্থ্যের উন্নতি হয়েছে। সবচেয়ে বেশি উন্নতি হয়েছে সিয়াটলে, যেখানে বাড়ির দাম কমে যাওয়ায় বাড়ি কেনার জন্য প্রয়োজনীয় বার্ষিক আয়ের পরিমাণ গত বছরের চেয়ে ৭.৪ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। এছাড়া সান জোসে এবং পোর্টল্যান্ডে এই প্রয়োজনীয় আয় যথাক্রমে ৬.৫ শতাংশ ও ৪.৫ শতাংশ কমেছে।

এই উন্নতি সত্ত্বেও পশ্চিম উপকূলের অনেক শহরে সাধারণ মানুষের বাড়ি কেনার সুযোগ নেই বললেই চলে। সান ফ্রান্সিসকো এখনও দেশের সবচেয়ে ব্যয়বহুল মেট্রো এলাকা হিসেবে রয়ে গেছে, যেখানে একটি সাধারণ বাড়ি কিনতে হলে বার্ষিক ৪৫৩,২০৫ ডলার আয় প্রয়োজন। অন্যদিকে, রেডফিনের বিশ্লেষণ অনুযায়ী কেবল সেন্ট লুইস, ইন্ডিয়ানাপোলিস এবং পিটসবার্গ—এই তিনটি বড় মেট্রো এলাকায় সাধারণ পরিবারের গড় আয় স্থানীয় বাড়ি কেনার জন্য প্রয়োজনীয় আয়ের চেয়ে বেশি।

শিরোনাম :
মেলবোর্ন রেনেগেডসের টাইটেল স্পন্সর হলো ট্যানজারিন জাতিসংঘের অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্ক গেলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জ্বালানি তেলের দাম লিটারে বাড়ল ২০ টাকা! সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ও তার স্ত্রীকে হেফাজতে নিয়েছে আট দিন পর উৎপাদনে ফিরল রামপাল কেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিট যুক্তরাজ্য বিএনপির সাংগঠনিক শক্তি বৃদ্ধি অস্ট্রেলিয়ার সম্মানজনক ‘ওএএম’ পদক পেলেন বাংলাদেশি অধ্যাপক শাহজাহান খান ডিসেম্বরের মধ্যে সংবিধান সংশোধনীর চূড়ান্ত প্রতিবেদন সংসদে সৌদির রিয়াদ ও আরামকো স্থাপনায় হুতিদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন যাত্রাবাড়ীতে আবারও পর পর ৪ ককটেল বিস্ফোরণ, আহত ১ মেলবোর্ন রেনেগেডসের টাইটেল স্পন্সর হলো ট্যানজারিন জাতিসংঘের অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্ক গেলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জ্বালানি তেলের দাম লিটারে বাড়ল ২০ টাকা! সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ও তার স্ত্রীকে হেফাজতে নিয়েছে আট দিন পর উৎপাদনে ফিরল রামপাল কেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিট যুক্তরাজ্য বিএনপির সাংগঠনিক শক্তি বৃদ্ধি অস্ট্রেলিয়ার সম্মানজনক ‘ওএএম’ পদক পেলেন বাংলাদেশি অধ্যাপক শাহজাহান খান ডিসেম্বরের মধ্যে সংবিধান সংশোধনীর চূড়ান্ত প্রতিবেদন সংসদে সৌদির রিয়াদ ও আরামকো স্থাপনায় হুতিদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন যাত্রাবাড়ীতে আবারও পর পর ৪ ককটেল বিস্ফোরণ, আহত ১
DGEN NEWS
Privacy Overview

This website uses cookies so that we can provide you with the best user experience possible. Cookie information is stored in your browser and performs functions such as recognising you when you return to our website and helping our team to understand which sections of the website you find most interesting and useful.