যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক পুলিশ বিভাগের (এনওয়াইপিডি) ট্রাফিক এনফোর্সমেন্ট বিভাগে কাজের সুযোগ পেয়েছেন বাংলাদেশি তরুণ রিজভী ইসলাম। সিলেটের বিয়ানীবাজার উপজেলার লাউতা ইউনিয়নের কানলী গ্রামের এই তরুণ কঠোর পরিশ্রম ও দীর্ঘ নিয়োগপ্রক্রিয়া পার করে এনওয়াইপিডির এই সিভিলিয়ান সার্ভিস পদে যুক্ত হয়েছেন।
তাঁকে এনওয়াইপিডিতে পদায়ন করায় পরিবার, আত্মীয়স্বজন এবং বিয়ানীবাজারের স্থানীয় অধিবাসীদের মধ্যে ব্যাপক আনন্দের সৃষ্টি হয়েছে।
পরিবার ও জীবনসংগ্রামের গল্প
রিজভী ইসলাম বিয়ানীবাজারের কানলী গ্রামের বাসিন্দা শাহিনুল ইসলাম দুলালের ছেলে।
-
যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি: ২০২৪ সালে পরিবারের সঙ্গে প্রথম যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন রিজভী।
-
ক্যারিয়ার প্রস্তুতি: যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার পরপরই নিউইয়র্ক সিটিতে স্থায়ী ক্যারিয়ার গড়ার লক্ষ্যে চাকরির প্রক্রিয়ায় অংশ নেন।
-
সফলতা: এনওয়াইপিডির ট্রাফিক এনফোর্সমেন্ট এজেন্ট পদের জন্য প্রয়োজনীয় যোগ্যতা ও ব্যাকগ্রাউন্ড চেকিং শেষ করে তিনি চূড়ান্ত নিয়োগ লাভ করেন।
এনওয়াইপিডি ট্রাফিক এনফোর্সমেন্ট এজেন্টের কাজ ও দায়িত্ব
নিউইয়র্ক পুলিশ বিভাগের অধীনস্থ হলেও ট্রাফিক এনফোর্সমেন্ট এজেন্টরা মূলত সিভিলিয়ান (বেসামরিক) কর্মী হিসেবে শহরের যোগাযোগ ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন:
-
যানবাহন নিয়ন্ত্রণ: নিউইয়র্ক শহরের বিভিন্ন ব্যস্ত সড়কে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক ও সুশৃঙ্খল রাখা।
-
পথচারীদের সুরক্ষা: সড়ক পারাপারে পথচারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং ট্রাফিক আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে নিয়ম অনুযায়ী পদক্ষেপ গ্রহণ করা।
-
প্রশিক্ষণ ও পদায়ন: প্রাথমিক বাছাইয়ের পর এনওয়াইপিডি পুলিশ একাডেমিতে নির্ধারিত ট্রেনিং সম্পন্ন করে এ পদে কর্মীদের মাঠে নামানো হয়।
রিজভীর চাচা সাইদুল ইসলাম সেলিম জানান, যুক্তরাষ্ট্রে আসার পর থেকেই রিজভী পুলিশ বা এনফোর্সমেন্ট বিভাগে ক্যারিয়ার গড়ার লক্ষ্য নিয়ে এগোচ্ছিলেন। তাঁর এই অর্জনে প্রবাসী সিলেটী সমাজ এবং দেশের স্থানীয় স্বজনেরা গর্ব প্রকাশ করেছেন।

