বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে সৌদি আরব সফরের জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন দেশটির ক্রাউন প্রিন্স ও প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন সালমান বিন আবদুল আজিজ আল সৌদ।
সোমবার (১৭ আগস্ট) সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে অবস্থিত প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আয়োজিত এক সৌজন্য সাক্ষাৎকালে সৌদি আরবের রাষ্ট্রদূত ড. আবদুল্লাহ জাফের এইচ. বিন আবিয়াহ এই রাজকীয় আমন্ত্রণপত্রটি প্রধানমন্ত্রীর কাছে হস্তান্তর করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সচিব শাহাদাত হোসেন স্বাধীন।
কূটনৈতিক গুরুত্ব ও দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতার দিগন্ত
-
সম্পর্কের গভীরতা: এই আমন্ত্রণের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের সুদীর্ঘ বন্ধুত্বপূর্ণ দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে আরও নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার উদ্যোগ ফুটে উঠেছে।
-
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক প্রসার: ঐতিহাসিকভাবে দুই দেশের সম্পর্ক ধর্মীয় বন্ধন ও শ্রমবাজারের ওপর প্রতিষ্ঠিত হলেও, বর্তমানে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, জ্বালানি ও সার্বিক অর্থনৈতিক সহযোগিতার ক্ষেত্র প্রসারিত হচ্ছে।
-
শ্রমবাজার ও বিনিয়োগ: সৌদি আরব বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান বৈদেশিক কর্মসংস্থান ক্ষেত্র ও রেমিট্যান্সের মূল উৎস। সম্প্রতি বাংলাদেশে বিভিন্ন সম্ভাবনাময় খাতে নতুন বিনিয়োগ এবং আরও বেশি দক্ষ জনশক্তি নেওয়ার আগ্রহ দেখিয়েছে দেশটি।
সৌদি রাষ্ট্রদূতের মাধ্যমে পাঠানো পত্রে ক্রাউন প্রিন্স দুই দেশের যৌথ স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়সহ আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়াতে এই সফরের গুরুত্ব উল্লেখ করেন। কূটনৈতিক মাধ্যমে আলোচনার ভিত্তিতে প্রধানমন্ত্রীর সফরের সময়সূচি ও বিস্তারিত সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করা হবে বলে জানা গেছে।

