যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানকালে সেখানকার সরকারি সহায়তায় বিনামূল্যে চিকিৎসার ব্যয় মেটালে ভবিষ্যতে দেশটিতে প্রবেশের ক্ষেত্রে আজীবন নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়তে পারেন বিদেশি নাগরিকরা। এ ধরনের সহায়তা গ্রহণকে ভিসার সরাসরি শর্ত লঙ্ঘন হিসেবে বিবেচনা করা হতে পারে বলে মারাত্মক সতর্কবার্তা দিয়েছে ঢাকায় অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস।
শনিবার (৭ নভেম্বর) ঢাকার মার্কিন দূতাবাসের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক জরুরি বার্তায় এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
ভিসার শর্তে কড়াকড়ি:
দূতাবাসের বার্তায় বলা হয়, পর্যটক বা স্বল্পমেয়াদি ভিসায় যুক্তরাষ্ট্র সফরে গিয়ে চিকিৎসার জন্য সরকারের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়া ভিসার চরম অপব্যবহারের শামিল। নির্ধারিত শর্ত অমান্য করা কিংবা সরকারি ফান্ড বা পাবলিক বেনিফিট সুবিধা গ্রহণ করলে পরবর্তী সময়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির যুক্তরাষ্ট্রে পুনর্প্রবেশের অনুমতি পুরোপুরি বাতিল বা প্রত্যাখ্যান করা হতে পারে।
ধারাবাহিক সতর্কবার্তা জারি:
যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা অপব্যবহার রুখতে সম্প্রতি বেশ কয়েকটি কড়া নির্দেশনা জারি করেছে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস।
-
মেয়াদ শেষের আগেই দেশত্যাগ: গত ৩১ অক্টোবর দেওয়া বার্তায় বলা হয়, ভিসার মেয়াদ থাকার পরও আই-৯৪ (I-94) ডকুমেন্টে উল্লিখিত ‘অ্যাডমিট আনটিল ডেট’ অনুযায়ী অনুমোদিত সময়ের মধ্যেই ভ্রমণকারীকে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়তে হবে।
-
ভিসা ক্যাটাগরি মেনে চলা: গত ২৮ অক্টোবর প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট করা হয়, বি-১ ও বি-২ ভিজিটর ভিসায় কেবল ব্যবসায়িক আলোচনা বা সভায় যোগ দেওয়া যাবে, কিন্তু এটি দিয়ে কোনোভাবেই সেখানে চাকরি বা কর্মসংস্থান করা যাবে না। কাজের জন্য আলাদা ক্যাটাগরির ওয়ার্ক ভিসা নেওয়া বাধ্যতামূলক।
মার্কিন দূতাবাস জোর দিয়ে জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের আইন অনুযায়ী ভিসার যাবতীয় শর্ত সঠিকভাবে মেনে চলার পূর্ণ আইনি দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট ভ্রমণকারীর নিজের।

