ব্যবসা ও ব্যবস্থাপনায় অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি অর্জন করেছেন অস্ট্রেলিয়াপ্রবাসী বাংলাদেশি উদ্যোক্তা হেমি হোসাইন। তাঁর এই আন্তর্জাতিক অর্জনে পরিবার, স্বজন ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের মধ্যে আনন্দের জোয়ার বইছে।
হেমি হোসাইন নোয়াখালীর মাইজদী-সোনাপুর এলাকার লালপুর গ্রামের মরহুম আবুল কাশেমের তৃতীয় সন্তান। তাঁর বাবা মরহুম আবুল কাশেম ছিলেন একজন শিক্ষানুরাগী ব্যক্তিত্ব এবং খাদ্য মন্ত্রণালয়ের অবসরপ্রাপ্ত পরিদর্শক, যিনি জীবনভর সততা ও আদর্শের সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন।
ব্যবসা ও ব্যবস্থাপনায় সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি অর্জনের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনুভূতি প্রকাশ করে হেমি হোসাইন জানান, এই স্বীকৃতি তাঁর জন্য অত্যন্ত সম্মানের। এর পেছনে রয়েছে দীর্ঘদিনের নিরলস পথচলা, ব্যক্তিগত উন্নয়ন, উদ্যোক্তা হিসেবে নানা প্রতিকূলতা মোকাবিলা এবং বড় স্বপ্ন দেখার সাহস।
নিজের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে তিনি লিখেন, “উদ্যোক্তা হওয়ার পথ কখনোই সরল নয়। এই পথ ঝুঁকি নেওয়া, ব্যর্থতা থেকে শিক্ষা নেওয়া, নতুন সুযোগ তৈরি করা এবং ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত জেনেও সামনে এগিয়ে যাওয়ার মধ্য দিয়ে তৈরি হয়।”
সম্মানসূচক ডক্টরেট পাওয়ার পর নিজের পরিচয়ের সঙ্গে ‘Dr. (H.C.) Hemi Hossain’ যুক্ত করে তিনি জানান, ব্যবসা ও ব্যবস্থাপনায় এই ডক্টরেট গ্রহণ তাঁর জন্য একই সঙ্গে অত্যন্ত বিনয় ও গর্বের মুহূর্ত। এই স্বীকৃতি তাঁকে সমাজে আরও ইতিবাচক প্রভাব তৈরির দায়িত্বের কথা মনে করিয়ে দেয়।
জীবনের এই বিশেষ মুহূর্তে হেমি হোসাইন সবাইকে উদ্দেশ্য করে তাঁর নিজস্ব মূলমন্ত্রটি ব্যক্ত করেন—‘Dream. Build. Grow. Inspire.’ (স্বপ্ন দেখুন, গড়ে তুলুন, বেড়ে উঠুন এবং অন্যকে অনুপ্রাণিত করুন)।

