২০৩৬ সালের অলিম্পিক গেমস আয়োজনের লড়াইয়ে আনুষ্ঠানিক ভাবে নাম লিখিয়েছে সাতটি দেশ। আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটি (আইওসি) জানিয়েছে, এই তালিকায় রয়েছে কাতার, ভারত, দক্ষিণ আফ্রিকা, তুরস্ক, জার্মানি, হাঙ্গেরি এবং দক্ষিণ কোরিয়া। আগ্রহ আগ্রহ প্রকাশের শেষ সময় চলতি আগামী ৩১শে অক্টোবর পর্যন্ত থাকায় এই তালিকায় আরও কিছু দেশের নাম যুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
কাতার এর আগে ২০২২ ফিফা বিশ্বকাপ এবং ২০০৬ সালের এশিয়ান গেমস সফলভাবে আয়োজন করেছে এবং ২০৩০ সালের এশিয়ান গেমসের আয়োজক দেশও তারা। অন্যদিকে, ভারত প্রথমবারের মতো অলিম্পিক আয়োজনের জন্য জোর প্রস্তুতি নিচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নিজ রাজ্য গুজরাটের আহমেদাবাদকে কেন্দ্র করে এই বিড সাজানো হয়েছে। ২০৩০ সালের কমনওয়েলথ গেমস আয়োজনের মাধ্যমে তারা অলিম্পিকের বড় মহড়া সেরে নেওয়ার পরিকল্পনা করেছে। তবে কাতারের ক্ষেত্রে গ্রীষ্মকালীন তীব্র দাবদাহ বিবেচনায় নিয়ে অলিম্পিকের সময়সূচি পরিবর্তনের প্রয়োজন হতে পারে। তবে মধ্যপ্রাচ্যের অঞ্চলে গ্রীষ্মকালে তীব্র গরম থাকায় অলিম্পিকের ঐতিহ্যবাহী জুলাই-আগস্টের সময়সূচি পরিবর্তন করে অপেক্ষাকৃত ঠান্ডা মৌসুমে এই গেমস আয়োজন করতে হবে।
আইওসি জানিয়েছে, ২০২৭ সালের মার্চ মাসের মধ্যে আগ্রহী দেশগুলোর একটি সংক্ষিপ্ত তালিকা তৈরি করা হবে। এরপর শুরু হবে আনুষ্ঠানিক আলোচনা। পর্যাপ্ত তহবিল, রাজনৈতিক ও জনসাধারণের সমর্থনসহ বিভিন্ন দিক পর্যালোচনার মাধ্যমে ২০৩৬ সালের স্বাগতিক দেশ চূড়ান্ত করা হবে। ২০২৮ সালে পছন্দের স্বাগতিকদের নাম ঘোষণা এবং ২০২৯ সালের মাঝামাঝিতে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসার সম্ভাবনা রয়েছে।
সংস্থাটির সভাপতি কার্স্টি কভেন্ট্রি এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, গেমস যেখানেই আয়োজিত হোক না কেন, অ্যাথলেটদের অভিজ্ঞতাই হবে প্রধান বিবেচ্য বিষয়। তিনি বলেন, অ্যাথলেটরা সব কাজের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকবে। উল্লেখ্য, ২০২৮ সালের গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিক লস অ্যাঞ্জেলেসে এবং ২০৩২ সালের আসর অস্ট্রেলিয়ার ব্রিসবেনে অনুষ্ঠিত হওয়ার জন্য আগে থেকেই নির্ধারিত রয়েছে। এই কারণেই প্রতিটি ভবিষ্যৎ স্বাগতিকের জন্য অ্যাথলেটদের সর্বোত্তম অভিজ্ঞতা প্রদানই হওয়া উচিত মূল সূচনা।

