তথ্যপ্রযুক্তি, প্রকৌশল, কেয়ারগিভিং ও কারিগরি খাতে বাংলাদেশি দক্ষ পেশাজীবীদের জন্য অস্ট্রেলিয়ায় কর্মসংস্থান এবং অভিবাসনের নতুন সম্ভাবনা তৈরি হচ্ছে। দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের উন্নয়ন ও জনশক্তি সহযোগিতার অংশ হিসেবে সাম্প্রতিক এক বৈঠকে এসব বিষয়ে গুরুত্ব প্রদান করা হয়।
১ অক্টোবর বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত অস্ট্রেলিয়ার হাইকমিশনার সুসান রাইল। বৈঠকে আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারের উপযোগী করে বাংলাদেশি তরুণদের গড়ে তোলা, কারিগরি শিক্ষা ও কর্মমুখী প্রশিক্ষণ জোরদার করার ওপর বিস্তারিত আলোচনা হয়।
বিশেষ করে বাংলাদেশের কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রগুলোর সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ার স্বনামধন্য ‘টেফ’ (TAFE) প্রতিষ্ঠানগুলোর যৌথ সহযোগিতা বাড়ানোর প্রস্তাব উঠে আসে। এর পাশাপাশি স্কলারশিপ, একাডেমিক বিনিময় এবং প্রশিক্ষণ কর্মসূচির মাধ্যমে শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়নে দুই দেশের যৌথ উদ্যোগের বিষয়েও আলোকপাত করা হয়।
আইটি, কারিগরি ও কেয়ারগিভিং ছাড়াও অবকাঠামো, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, কৃষি প্রক্রিয়াজাতকরণ, চিকিৎসা প্রযুক্তি ও লজিস্টিকস খাতে বিনিয়োগ ও দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য প্রসারে আলোচনা হয়। দুই দেশের অর্থনৈতিক ও বাণিজ্য সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করতে আগামী নভেম্বরে ক্যানবেরায় উচ্চপর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
তবে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই আলোচনার মাধ্যমে তাৎক্ষণিকভাবে নতুন কোনো ঢালাও ওয়ার্ক ভিসা চালু হয়নি। অস্ট্রেলিয়ার শ্রমবাজারে দক্ষ কর্মী হিসেবে যেতে আগ্রহীদের এখন থেকেই প্রয়োজনীয় পেশাগত অভিজ্ঞতা, ইংরেজি ভাষার দক্ষতা এবং প্রাতিষ্ঠানিক যোগ্যতা অর্জনে মনোযোগী হওয়া প্রয়োজন।

